উচ্চমাধ্যমিকে গাজোল ব্লকে মেয়েদের মধ্যে সবথেকে বেশি নম্বর পেয়ে নজর কাড়ল শ্যামসুখী বালিকা শিক্ষা নিকেতনের ছাত্রী দেবশ্রী বিশ্বাস। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৬৮। সে বাংলায় পেয়েছে ৯৫, ইংরেজীতে ৯০, এডুকেশনে ৯৬, সঙ্গীত বিভাগে ৯৫, অংকে ৩৮, ভূগোলে ৯০। নবম শ্রেনী থেকেই দেবশ্রী শ্যামসুখী বালিকা শিক্ষা নিকেতনের ছাত্রী। তার এই সাফল্যে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষিকার মুখে হাসি ফোটাতে পেরে ভীষণ খুশি সে। তার এই সাফল্যে খুশি তার পরিবার, সহপাঠী সহ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দেবশ্রী জানায় তার ৫ জন গৃহশিক্ষক ছিলেন। দিনে প্রায় ১০ ঘণ্টা পড়াশুনো করত সে। পড়াশোনার পাশাপাশি সে গান শোনা ও গান করা পচ্ছন্দ করস। তার প্রিয় বিষয় ছিল সঙ্গীত ও ভূগোল নিয়ে বেনারস ইউনিভারসিটি বা প্রেসিডেন্সী কলেজে ভর্তি হতে চাই।
পাশাপাশি গাজোল ব্লকে ছেলেদের মধ্যে উচ্চমাধ্যমিকে সব থেকে বেশী নম্বর পেয়ে ও গাজোল ব্লকে দ্বিতীয় হয়ে নজর কাড়ল হাজিনাকু মহম্মদ হাইস্কুলের ছাত্র অনিক সাহা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৬৪। সে বাংলায় পেয়েছে ৯০, ইংরেজীতে ৯৩, এডুকেশনে ৯৪, কম্পিউটার বিভাগে ৯৭, অঙ্কে ৪৪, ও ভূগোলে ৯০। তার এই সাফল্যে খুশী তার পরিবার, সহপাঠী সহ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অনিকের বাবা কমল সাহা একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, মা শান্তনা সাহা গৃহবধূ। অনিক জানায় তার ৬ জন গৃহশিক্ষক ছিলেন। দিনে প্রায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পড়াশুনো করত। পড়াশোনার পাশাপাশি সে ক্রিকেট খেলতে ও খেলা দেখতে পছন্দ করত। তার প্রিয় বিষয় ছিল ইংরেজী ও ভূগোল। ভবিষ্যতে সে ডাব্লু বি সি এস এর স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনার জগতে এগিয়ে চলছে। সে ইংরেজীতে অনার্স নিয়ে আশুতোষ কলেজ বা স্কটিশচার্চ কলেজে ভর্তি হতে চাই। অনিক আরও জানায় তার এই পড়াশোনা ও ভালো রেজাল্টের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তার মায়ের। তার রেজাল্ট আরও কিছুটা ভালো হত কিন্তু পরীক্ষার ২ দিন আগে হটাৎ তার ঠাকুরমা মারা যায় যার জন্য পরীক্ষায় একটু প্রভাব পড়েছে, হটাৎ এই ঘটনাটি না ঘটলে তার রেজাল্ট আরেকটু ভাল হত বলে জানায় সে।
মালদা